বন্যার পূর্ব এবং পরবর্তী প্রস্তুতি

ভূমিকা

বন্যার পূর্ব এবং পরবর্তী প্রস্তুতি

বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। প্রতি বছর উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে বন্যার প্রভাব লক্ষ করা যায়। বন্যার ফলে মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং নানা ধরনের রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ে। শিশু ও গর্ভবতী মায়েরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হন। তাই বন্যার পূর্ব ও পরবর্তী প্রস্তুতি সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

বন্যার পূর্বে করণীয়:

১. টিউবওয়েল উঁচু স্থানে স্থাপন: নিরাপদ পানির জন্য টিউবওয়েল উঁচু জায়গায় স্থাপন করুন।
২. রান্নার সরঞ্জাম সংরক্ষণ: বহনযোগ্য চুলা ও রান্নার প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রস্তুত রাখুন।
৩. শুকনো খাবার সংরক্ষণ: চিড়া, মুড়ি, গুড় ও চিনি সংগ্রহ করুন।
৪. গবাদি পশুর নিরাপত্তা: বন্যামুক্ত স্থানে গবাদি পশু রেখে আসুন।
5. সাপ প্রতিরোধ ব্যবস্থা: কার্বলিক এসিডের বোতল খুলে ঘরের চারপাশে রাখুন।
৬. প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রী: ওষুধ ও খাবার স্যালাইন মজুত রাখুন।

বন্যাকালীন করণীয়:

১. শরীরের যত্ন নিন: বিশেষ করে শিশু ও গর্ভবতী নারীদের প্রতি খেয়াল রাখুন।
২. পানির ব্যবহার: বন্যার পানি দিয়ে রান্না বা পান করবেন না।
৩. পরিষ্কার খাবার ও পানি: ফুটানো পানি পান করুন এবং বিশুদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন।
৪. আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর: বাড়িতে পানি উঠলে নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যান।

বন্যার পূর্ব এবং পরবর্তী প্রস্তুতি

সচেতন থাকুন, নিরাপদ থাকুন:

বন্যার পূর্ব এবং পরবর্তী সময়ে সঠিক প্রস্তুতি নিলে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। সুস্থ থাকার জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন এবং সচেতন থাকুন।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *